(৪৩:৬৮) যারা আমার আয়াতসমূহের ওপর ঈমান এনেছিলো এবং আমার আদেশের অনুগত হয়েছিল
(৪৩:৬৯) সেই দিন তাদের বলা হবে, “হে আমার বান্দারা, আজ তোমাদের কোন ভয় নেই এবং কোন দুঃখও আজ তোমাদের স্পর্শ করবে না৷
(৪৩:৭০) তোমরা এবং তোমাদের স্ত্রীরা ৬০ জান্নাতে প্রবেশ করো৷ তোমাদের খুশী করা হবে৷”
(৪৩:৭১) তাদের সামনে স্বর্ণের প্লেট ও পেয়ালাসমূহ আনা নেয়া করানো হবে এবং মনের মত ও দৃষ্টি পরিতৃপ্তকারী প্রতিটি জিনিস সেখানে থাকবে৷ তাদের বলা হবে, “এখন তোমরা এখানে চিরদিন থাকবে৷ পৃথিবীতে তোমরা যেসব কাজ করেছো
(৪৩:৭২) তার বিনিময়ে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী হয়েছো৷
(৪৩:৭৩) তোমাদের জন্য এখানে প্রচুর ফল মজুদ আছে যা তোমরা খাবে৷
(৪৩:৭৪) আর অপরাধীরা তারা তো চিরদিন জাহান্নামের আযাব ভোগ করবে৷
(৪৩:৭৫) তাদের আযাব কখনো কম করা হবে না এবং তারা সেখানে নিরাশ অবস্থায় পড়ে থাকবে৷
(৪৩:৭৬) আমি তাদের প্রতি জুলুম করিনি৷ বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছে৷
(৪৩:৭৭) তারা চিৎকার করে বলবে “হে মালেক৷ ৬১ তোমার রব আমাদেরকে একেবারে ধ্বংস করে দেন তাহলে সেটাই ভাল” সে জবাবে বলবে : “তোমাদের এভাবেই থাকতে হবে৷
(৪৩:৭৮) আমরা তোমাদের কাছে ন্যায় ও সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম৷ কিন্তু তোমাদের অধিকাংশের কাছে ন্যায় ও সত্য ছিল অপছন্দনীয়”৷ ৬২
(৪৩:৭৯) এ লোকেরা কি কোন পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে? ৬৩ বেশ তো! তাহলে আমিও একটি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি৷
(৪৩:৮০) এরা কি মনে করেছে, আমি এদের গোপন এবং এদের চুপিসারে বলা কথা শুনতে পাই না!
(৪৩:৮১) আমি সব কিছু শুনছি এবং আমার ফেরেশতা তাদের কাছে থেকেই তা লিপিবদ্ধ করছে৷ এদের বলো, “সত্যিই যদি রহমানের কোন সন্তান থাকতো তাহলে তার সর্বপ্রথম ইবাদতকারী হতাম আমি”৷৬৪
(৪৩:৮২) আসমান ও যমীনের শাসনকর্তা আরশের অধিপতি এমন সমস্ত বিষয় থেকে পবিত্র যা এরা তার প্রতি আরোপ করে থাকে৷
(৪৩:৮৩) ঠিক আছে, যে দিনের ভয় তাদের দেখানো হচ্ছে সেই দিন না দেখা পর্যন্ত তাদেরকে বাতিল ধ্যান-ধারণার মধ্যে ডুবে এবং নিজেদের খেলায় মেতে থাকতে দাও৷
(৪৩:৮৪) সেই একজনই আসমানেও আল্লাহ এবং যমীনেও আল্লাহ৷
(৪৩:৮৫) তিনি মহাকুশলী ও মহাজ্ঞানী৷ ৬৫ অনেক উচ্চ ও সম্মানিত সেই মহান সত্তা যার মুঠিতে যমীন ও আসমানসমূহ এবং যমীন ও আসমানের যা কিছু আছে তার প্রতিটি জিনিসের বাদশাহী৷ ৬৬ তিনিই কিয়ামতের সময়ের জ্ঞান রাখেন এবং তোমাদের সবাইকে তার কাছেই ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে৷৬৭
(৪৩:৮৬) এরা তাকে বাদ দিয়ে যাদের ডাকে তারা শাফায়াতের কোন ইখতিয়ার রাখে না৷ তবে যদি কেউ জ্ঞানের ভিত্তিতে ন্যায় ও সত্যের সাক্ষ্য দান করে৷ ৬৮
(৪৩:৮৭) ঐদিন তোমরা এদের জিজ্ঞেস করো, কে এদের সৃষ্টি করেছে তাহলে এরা নিজেরাই বলবে, আল্লাহ৷৬৯ তাহলে কোথা থেকে এরা প্রতারিত হচেছ?
(৪৩:৮৮) রসূলের এই কথার শপথ, হে রব, এরাই সেই সব লোক যারা মানছে না৷৭০
(৪৩:৮৯) ঠিক আছে, হে নবী, এদের উপেক্ষা করো এবং বলে দাও, তোমাদের সালাম জানাই৷৭১ অচিরেই তারা জানতে পারবে৷
৬০. মূল আয়াতে -----শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যা স্ত্রীদের বুঝাতেও ব্যবহৃত হতে পারে আবার কোন ব্যক্তির একই পথের পথিক সমমনা ও সহপাঠী বন্ধুদের বুঝাতেও ব্যবহৃত হয়৷ এই ব্যাপক অর্থবোধক শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে এ জন্য যে, তার মধ্যে যেন এই উভয় অর্থই শামিল হয়৷ ঈমানদারদের ঈমানদার স্ত্রীরা এবং তাদের মুমিন বন্ধুরাও জান্নাতে তাদের সাথে থাকবে৷
৬১. মালেক অর্থ জাহান্নামের ব্যবস্থাপক৷ কথার ইংগিত থেকেই এটিই প্রকাশ পাচ্ছে৷
৬২. অর্থাৎ আমি তোমাদের সামনে প্রকৃত সত্য সুস্পষ্ট করে দিয়েছিলাম৷ কিন্তু তোমরা ছিলে সত্যের পরিবর্তে কেচ্ছা-কাহিনীর ভক্ত এবং সত্য ছিল তোমাদের কাছে অত্যন্ত অপছন্দনীয়৷ এখন নিজেদের এই নির্বুদ্ধিতা মূলক পছন্দেও পরিনাম দেখে অস্থির হয়ে উঠছো কেন? হতে পারে এটা জাহান্নামের ব্যবস্থাপকের জবাবেরই একটা অংশ৷ আবার এও হতে পারে যে, তোমরা এভাবেই এখানে পড়ে থাকবে পর্যন্তই জাহান্নামের ব্যবস্থাপকের জবাব শেষ হয়ে গিয়েছে এবং এই দ্বিতীয় বাক্যংশটা আল্লাহর নিজের কথা৷ প্রথম ক্ষেত্রে জাহান্নামের ব্যবস্থাপকের উক্তি আমি তোমাদের কাছে ন্যায় ও সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম ঠিক তেমনি যেমন সরকারের কোন বড় কর্মকর্তা সরকারের পক্ষ থেকে বলতে গিয়ে 'আমরা' শব্দ ব্যবহার করে এবং তার অর্থ হয় আমাদের সরকার এ কাজ করেছে বা এ নির্দেশ দিয়েছে৷
৬৩. কুরাইশ নেতারা তাদের গোপন সভাসমূহে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ সম্পর্কে যেসব কথা আলোচনা করছিলো এখানে তার প্রতি ইংগিত করা হয়েছে৷
৬৪. অর্থাৎ কাউকে আল্লাহর সন্তান হিসেবে মানতে আমার অস্বীকৃতি এবং তোমরা যাদেরকে তার সন্তান বলে আখ্যায়িত করছো তাদের ইবাদত করতে আমার অস্বীকৃতি কোন জিদ বা হঠকারিতার ভিত্তিতে নয়৷ আমি যে কারণে তা অস্বীকার করি তা শুধু এই যে, প্রকৃতপক্ষে কেউই আল্লাহর পুত্র বা কন্যা নয়৷ তোমাদের এই আকীদা-বিশ্বাস সত্য ও বাস্তবতার পরিপন্থী৷ আল্লাহর সন্তান আছে এটাই যদি বাস্তব হতো তাহলে আমি আল্লাহর এমন বিশ্বাসী বান্দা যে, তোমাদের সবার আগে আমি তার বন্দেগী মেনে নিতাম৷
৬৫. অর্থাৎ আসমান ও যমীনের আল্লাহ আলাদা আলাদা নয়, বরং গোটা বিশ্ব জাহানের আল্লাহ একজনই৷ গোটা বিশ্ব জাহানের ব্যবস্থাপনা তারই জ্ঞান ও কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সমস্ত সত্য তিনিই জানেন৷
৬৬. অর্থাৎ খোদায়ীর ব্যাপারে কেউ তার অংশীদার থাকবে এবং এই বিশাল বিশ্ব জাহানের শাসন কর্তৃত্বে কারো দখল থাকবে এমন অবস্থা থেকে তার মহান সত্তা অনেক উর্ধে৷ নবী হোক বা অলী, ফেরেশাত হোক বা জিন কিংবা রূহ, তারকা হোক বা গ্রহ আসমানে ও যমীনে যারাই আছে সবাই তার বান্দা, দাস ও নির্দেশের অনুগত৷ খোদায়ীর কোন গুনে গুণান্বিত হওয়া কিংবা খোদায়ী ক্ষমতা ও কর্তৃত্বে অধিকারী হওয়া তাদের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব৷
৬৭. অর্থাৎ পৃথিবীতে তোমরা যাকেই সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষক বানাও না কেন মৃত্যুর পর সেই একমাত্র আল্লাহর সাথেই তোমাদের পাল্লা পড়বে৷ তাঁর আদালতেই তোমাদের সমস্ত কাজকর্মেও জন্য জবাবদিহি করতে হবে৷
৬৮. এ আয়াতাংশের কয়েকটি অর্থ:

প্রথম অর্থ হচ্ছে, মানুষ পৃথিবীতে যাদেরকে উপাস্য বানিয়ে রেখেছে তারা কেউই আল্লাহর কাছে শাফায়াতকারী নয়৷ তাদের মধ্যে যারা পথভ্রষ্ট ও দুষ্কর্মশীল তারা নিজেরাই তো সেখানে অপরাধী হিসেবে উপস্থিত হবে৷ তবে যারা জ্ঞানের ভিত্তিতে (না জেনে শুনে নয়) ন্যায় ও সত্যের সাক্ষ্য দিয়েছিলো তাদের কথা ভিন্ন৷

দ্বিতিয় অর্থ হচ্ছে, যারা শাফায়াত করার ক্ষমতা ও ইখতিয়ার লাভ করবে তারাও কেবল সেই সব লোকের জন্যই শাফায়াত করতে পারবে যারা পৃথিবীতে জেনে শুনে (গাফলতিতে ও অজান্তে নয়) ন্যায় ও সত্যের সাক্ষ্য দিয়েছে৷ যে ব্যক্তি পৃথিবীতে ন্যায় ও সত্যের প্রতি রুষ্ঠ ছিল কিংবা না বুঝে শুনে.............- ও বলতো এবং অন্যান্য উপাস্যদের উপাসনাও করতো এমন কোন ব্যক্তির শাফায়াত না তারা নিজেরা করবে না তা করার অনুমতি পাবে৷

তৃতীয় অর্থ হচ্ছে, কেউ যদি বলে, সে যাদের উপাস্য বানিয়ে রেখেছে তারা অবশ্যই শাফায়তের ক্ষমতা ও এখতিয়ার রাখে৷ এবং আল্লাহর কাছে তাদের এমন ক্ষমতা ও আধিপত্য আছে যে, আকীদা-বিশ্বাস যাই হোক না কেন তারা যাকে ইচ্ছা মাফ করিয়ে নিতে পারে, তাহলে সে মিথ্যা বলে৷ আল্লাহর কাছে কারোরই এই মর্যাদা নেই৷ যে ব্যক্তি কারো জন্য এমন শাফায়াতে দাবী করে সে যদি জ্ঞানের ভিত্তিতে একথা সত্য হওয়ার প্রমান পেশ করতে পারে তাহলে সাহস করে এদিকে আসুক৷ কিন্তু সে যদি এরূপ প্রমাণ পেশ করার মত পজিশনে না থাকে-এবং নিশ্চিতভাবেই নেই-তাহলে অযথা শোনা কথার ওপর ভিত্তি করে কিংবা শুধু অনুমান, সংস্কার ও ধারনার বশবর্তী হয়ে এরূপ একটি আকীদা পোষণ করা একেবারেই অর্থহীন আর এই খেয়ালীপনার ওপর নির্ভর করে নিজেদের পরিনামকে বিপদগ্রস্ত করা চরম নির্বুদ্ধিতা৷

এ আয়াত থেকে আনুসাঙ্গিকভাবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি পাওয়া যায়৷ এক, এ থেকে জানা যায়, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে জ্ঞানবিহীন সাক্ষ্য দুনিয়াতে গ্রহণযোগ্য হলেও আল্লাহর কাছে গ্রহণ যোগ্য নয়৷ দুনিয়াতে যে ব্যক্তিই মুখে কালেমা শাহাদাত উচ্চারণ করবে আমরা তাকে মুসলমান হিসেবে মেনে নেবো এবং যতক্ষণ না সে প্রকাশ্যে সুস্পষ্ট কুফরী করবে ততক্ষণ আমরা তার সাথে মুসলমানদের মতই আচরণ করতে থাকবো৷ কিন্তু আল্লাহর কাছে শুধু সেই ব্যক্তিই ঈমানদার হিসেবে গণ্য হবে যে তার জ্ঞান ও বুদ্ধির সীমা অনুসারে জেনে বুঝে বলেছে এবং সে একথা বুঝে যে এভাবে সে কি কি বিষয় অস্বীকার করেছে এবং কি কি বিষয় স্বীকার করে নিচ্ছে৷

দুই, এ থেকে সাক্ষ আইনের এই সূত্রটিও পাওয়া যায় যে, সাক্ষ্যের জন্য জ্ঞান থাকা শর্ত৷ সাক্ষী যে ঘটনার সাক্ষ দান করছে তার যদি সে সম্পর্কে জ্ঞান না তাকে তাহলে তার সাক্ষ্য অর্থহীন৷ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের একটি ফায়সালা থেকেও এ বিষয়টি জানা যায়৷ তিনি একজন সাক্ষীকে বলেছিলেন :

আরবী,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

"যদি তুমি নিজ চোখে ঘটনা এমনভাবে দেখে থাকো যেমন সূর্যকে দেখছো তা হলে সাক্ষ দাও৷ তা না হলে দিও না৷
৬৯. এর দুটি অর্থ৷ একটি হচ্ছে, যদি তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো, তাদের কে সৃষ্টি করেছেন তাহলে তারা বলবে, আল্লাহ৷ অপরটি হচ্ছে, যদি তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো, তাদের উপাস্যদের স্রষ্টা কে তাহলে তারা বলবে, আল্লাহ৷
৭০. কুরআন মজীদের যেসব আয়াতে আরবী ব্যাকরনের অত্যন্ত জটিল প্রশ্ন দেখা দেয় এ আয়াতটি তার অন্যতম৷ এখানে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে যে,..... কথাটির মধ্যে...... কোন প্রকৃতির এবং ওপরের বক্তব্যের ধারাবাহিকতার মধ্যে কোন জিনিসটির সাথে এর সম্পর্ক? তাফসিরকারগণ এ সম্পর্কে বহু আলোচনা করেছেন৷ কিন্তু তাদের সেই সব আলোচনার মধ্যে আমি কোন সন্তোষজনক বিষয় পাইনি৷ শাহ আবদুল কাদের (র) সাহেবের অনুবাদ থেকে যে ইংগিত পাওয়া যায় সেইটিই আমার কাছে সর্বাধিক বিশুদ্ধ বলে মনে হয় অর্থাৎ এখানে.... 'আতাফ'-এর (বাক্য সংযোজনের জন্য) জন্য ব্যবহৃত হয়নি, বরং শপথের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে এবং তা ...........আয়াতাংশের সাথে সম্পর্কিত৷ আর....... এর সর্বনাম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে৷ আরবি,,,,,,,,, (হে রব, এরাই সেই সব লোক যারা মানছে না) আয়াতাংশ যার প্রতি সুস্পস্ট ইংগিত করছে৷ এ ক্ষেত্রে আয়াতের অর্থ দাঁড়ায় :

"রসূলের এই বাণীর শপথ যে, হে রব! এরাই সেই সব লোক যারা মানছে না" কী বিস্ময়কর এদের প্রতারিত হওয়া ৷ এরা নিজেরাই স্বীকার করছে যে, এদের ও এদের উপাস্যদের স্রষ্টাও আল্লাহ৷ তা সত্ত্বেও স্রষ্টাকে বাদ দিয়ে সৃষ্টি উপাসনার জন্য গোঁ ধরে আছে৷

রসূলের এই কথাটির শপথ করার উদ্দেশ্য হচেছ, তাদের এই আচরণ স্পষ্ট প্রমাণ করছিলো যে, তারা প্রকৃতই হঠকারী লোক৷ কারণ, তাদের নিজেদের স্বীকৃতি অনুসারে তাদের আচরনের অযৌক্তিকতা প্রকাশ পাচ্ছে৷ এ ধরনের অযৌক্তিকতা আচরণ শুধু সেই ব্যক্তিই করতে পারে যে, না মানার সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছে৷ অন্য কথায় এ শপথের অর্থ হচ্ছে, রসূল অতীব সত্য কথাই বলেছেন৷ প্রকৃতই এরা মেনে নেয়ার মত লোক নয়৷
৭১. অর্থাৎ তাদের রূঢ় কথা এবং ঠাট্টা-বিদ্রূপের কারণে তাদের জন্য বদদোয়া করো না কিংবা তার জবাবে রূঢ় কথা বলো না৷ বরং সালাম দিয়ে তাদের কাছে থেকে সরে যাও৷