(৪৩:২৬) স্মরণ করো সেই সময়টি যখন ইবরাহীম তার বাপ এবং কওমকে বলেছিলো৷২৪“তোমরা যাদের দাসত্ব করো তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই৷
(৪৩:২৭) আমার সম্পর্ক শুধু তারই সাথে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন৷ তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন৷২৫
(৪৩:২৮) ইবরাহীম এ কথাটি ২৬ তার পেছনে তার সন্তানদের মধ্যেও রেখে গিয়েছিলো, যাতে তারা এ দিকে ফিরে আসে৷২৭
(৪৩:২৯) (এসব সত্ত্বেও যখন এরা অন্যদের দাসত্ব করতে শুরু করলো তখন আমি এদের ধবংস করে দিলাম আমি বরং এদের ও এদের বাপ দাদাদেরকে জীবনোপকরন দিতে থাকলাম এমনকি শেষ পর্যন্ত এদের কাছে ন্যায় ও সত্য এবং সুস্পষ্ট বর্ণনাকারী রসূল এসে গেল৷২৮
(৪৩:৩০) কিন্তু ন্যায় ও সত্য যখন এদের কাছে আসলো তখন এরা বললোঃ এতো যাদু৷২৯ আমরা তা মানতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি৷
(৪৩:৩১) তারা বলে, দুটি শহরের বড় ব্যক্তিদের কারো ওপর এ কুরআন নাযিল করা হলো না কেন? ৩০
(৪৩:৩২) তোমার রবের রহমত কি এরা বণ্টন করে? দুনিয়ার জীবনে এদের মধ্যে জীবন যাপনের উপায় উপকরণ আমি বণ্টন করেছি এবং এদের মধ্য থেকে কিছু লোককে অপর কিছু সংখ্যক লোকের ওপর অনেক বেশী মর্যাদা দিয়েছি, যাতে এরা একে অপরের সেবা গ্রহণ করতে পার৷৩১ (এদের নেতারা) যে সম্পদ অর্জন করছে তোমার রবের রহমত তার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ৷ ৩২
(৪৩:৩৩) সমস্ত মানুষ একই পথের অনুসারি হয়ে যাবে যদি এই আশংকা না থাকত তাহলে যারা দয়াময় আল্লাহর সাথে কুফরি করে আমি তাদের ঘরের ছাদ,
(৪৩:৩৪) যে সিঁড়ি দিয়ে তারা তাদের বালাখানায় ওঠে সেই সিঁড়ি, দরজাসমূহ এবং যে সিংহাসনের ওপর তারা বালিশে হেলান দিয়ে বসে তা সবই রৌপ্য এবং স্বর্ণের বানিয়ে দিতাম৷৩৩
(৪৩:৩৫) এগুলে তো শুধু পার্থিব জীবনের উপকরণ, তোমার রবের দরবারে আখেরাতে শুধু মুত্তাকীদের জন্য নির্দিষ্ট৷
২৪. বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন , তাফহীমূল কুরআন , আল বাকারা, টীকা ১২৪ থেকে ১৩৩; আল আন'আম টীকা ৫০ থেকে ৫৫; ইবরাহীম, টীকা ৪৬ থেকে ৫২; মার্‌য়াম, টীকা ২৬ ও ২৭; আল আম্বিয়া, টীকা ৫৪ থেকে ৬৬; আশ্‌-শুআরা, টীকা ৫০ থেকে ৬২; আল আনকাবূত টীকা ২৬ ও ৪৬; আস সাফফাত, আয়াত ৮৩ থেকে ১০০ টীকা ৪৪ থেকে ৫৫৷
২৫. একথা দ্বারা হযরত ইবরাহীম (আ) শুধু তার আকীদা বিশ্বাসই বর্ণনা করেননি, তার সপক্ষে যুক্তি-প্রমাণও পেশ করেছেন৷ অন্য সব উপাস্যদের সাথে সম্পর্ক না রাখার কারণ হচ্ছে, না তারা সৃষ্টি করেছে, না কোন ব্যাপারে সঠিক পথনির্দেশনা দেয় বা দিতে পারে৷ শুধু লা- শরীক আল্লাহর সাথে সম্পর্কে রক্ষা করার কারণ হচ্ছে, তিনিই সৃষ্টি করেছেন৷ তিনিই মানুষকে সঠিক পথনির্দেশনা দেন এবং দিতে পারেন৷
২৬. অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কেউ উপাস্য হওয়ার অধিকারী নয়, একথাটা৷
২৭. অর্থাৎ সঠিক পথ থেকে যখনই সামান্য একটু পদত্থলনও ঘটেছে এ বাণী তখনই তার পথনির্দেশনার জণ্য সামনে রয়েছে৷ আর তারাও সেদিকেই ফিরে এসেছে৷ এখানে এ ঘটনাটি যে উদ্দেশ্যে বর্ণনা করা হয়েছে তা হচ্ছে, কুরাইশ গোত্রের কাফেরদের অযৌক্তিকতাকে পুরোপুরি উলংগ করে দেয়া এবং একথা বলে তাদের লজ্জা দেয়া যে, তোমরা পূর্ব -পুরুষদের অন্ধ অনুকরণ করে থাকলেও এ উদ্দেশ্যে সর্বোত্তম পূর্ব- পুরুষদের বাদ দিয়ে নিজেদের জঘন্যতম পূর্ব-পুরুষদের বেছে নিয়েছো৷ আরবে যে কারণে কুরাইশদের পৌরোহিত্য চলছিলো তা হচ্ছে, তারা হযরত ইবরাহীম ও ইসমাঈলের বংশধর এবং তাদের নির্মিত কা'বার তত্বাবধায়ক৷ তাই কুরাইশদের উচিত ছিল তাদের অনুসরণ করা৷ যারা হযরত ইবরাহীম ও ইসমাঈলের পথ ছেড়ে আশেপাশের মূর্তি পূজরী জাতিসমূহের নিকট থেকে শিরকের শিক্ষা লাভ করেছিলো তাদের অনুসরণ কুরাইশদের জন্য সঠিক ছিল না৷ এই ঘটনা বর্ণনা করে আরো একটি দিক থেকেও এসব পথভ্রষ্ট লোকদের ভ্রান্তি সুস্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে৷ সেটি হচ্ছে, হক বাতিল যাচাই বাছাই না করেই যদি চোখ বন্ধ করে বাপ দাদার অন্ধ অনুসরণ ঠিক হতো তাহলে সর্বপ্রথম হযরত ইবরাহীমই এ কাজ করতেন৷ কিন্তু তিনি তার বাপ-দাদ ও কওমকে পরিষ্কার ভাষায় একথা বলে দিয়েছিলেন, আমি তোমাদের অজ্ঞতা প্রসূত ধর্মের অনুসরণ করতে পারি না যার বিধান অনুসারে তোমরা স্রষ্টাকে বাদ দিয়ে যারা স্রষ্টা নয় সেই সব সত্তাকে উপাস্য বনিয়ে নিয়েছো৷ এ থেকে জানা যায়, হযরত ইবরাহীম বাপ -দাদার অন্ধ অনুসরনের সমর্থক নন৷ বরং তার নীতি ছিল বাপ- দাদার অনুসরনের পূর্বে ব্যক্তিকে চোখ খুলে দেখতে হবে তারা সঠিক পথে আছে কিনা৷ যদি যুক্তি দ্বারা প্রমানিত হয় যে, তারা সঠিক পথে চলছে না তখন তাদের অনুসরণ বাদ দিয়ে যুক্তি অনুসারে যেটা ন্যায় ও সত্যের পথ সেটিই অনুসরন করতে হবে৷
২৮. মূল আয়াতে ------আরবী------শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যার আরেকটি অর্থ এও হতে পারে যে, এমন রসূল এসেছেন যার রসূল হওয়া সুস্পস্ট ছিল, যার নবুওয়াত - পূর্ব জীবন ও নবুওয়াত পরবর্তী জীবন স্পষ্ট সাক্ষ্য দিচ্ছিলো যে, তিনি অবশ্যই আল্লাহর রসূল৷
২৯. ব্যখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, সূরাতুল আম্বিয়া, টীকা ৫ ও সূরা সোয়াদের ব্যখ্যা, টীকা ৫৷
৩০. দুটি শহর অর্থ মক্কা ও তায়েফ৷ কাফেররা বলতো সত্যিই যদি আল্লাহর কোন রসূল পাঠানোর প্রয়োজন হতো এবং তিনি সেই রসূলের কাছে তাঁর কিতাব নাযিল করতে চাইতেন তাহলে আমাদের কেন্দ্রীয় মর্যাদার এই শহরগুলোর মধ্য থেকে কোন নামকরা লোককে বাছাই করতেন৷আল্লাহ রসুল বানানোর জন্য পেলেন এমন ব্যক্তিকে যে ইয়াতীম হয়ে জন্মলাভ করেছে, যে কোন উত্তরাধিকার লাভ করেনি, যে বকরি চরিয়ে যৌবনকাল অতিবাহিত করেছে, যে এখন স্ত্রীর সম্পদ দিয়ে জীবন যাপনও করে, ব্যবসা -বানিজ্য করে এবং যে কোন গোত্রের অধিপতি বা গোষ্ঠীর নেতা নয় ৷ মক্কায় কি ওয়ালিদ ইবনে মুগীরা ও 'উতবা ইবনে রাবীআর মত সম্মানিত ও নামযাদা লোক ছিল না ? তায়েফে কি উরওয়া ইবনে মাসউদ, হাবীব ইবনে 'আমর, কিনানা ইবনে আবদে আমর এবং ইবনে আবদে ইয়ালীলের মত নেতারা ছিল না ? এটা ছিল তাদের, যুক্তি প্রমান ৷ কোন মানুষ নবী হতে পারে প্রথমে তারা একথা মানতেই প্রস্তুত ছিল না৷ কিন্তু কুরআন মজীদে যখন একের পর এক যুক্তি -প্রমান দিয়ে তাদের এ ধারনা পুরোপুরি বাতিল করে দেয়া হলো এবং বলা হলো, ইতি পূর্বেও মানুষই সবসময় নবী হয়ে এসেছেন এবং মানুষের হিদায়াতের জন্য মানুষই রসূল হতে পারেন অন্য কেউ নয়৷ দুনিয়াতে রসূল হিসেবে যিনিই এসেছেন তিনি হঠাৎ আসমান থেকে নেমে আসেননি৷ মানুষের এসব জনপদেই তিনি জন্মলাভ করেছিলেন, বাজারসমূহে চলাফেরা করতেন, সন্তানের পিতা ছিলেন এবং পানাহারের প্রয়োজন মুক্ত ছিলেন না৷ (দেখুন, আন -নাহল, আয়াত ৪৩, বনী ইসরাঈল ৯৪ ও ৯৫; ইউসুফ, ১০৯; আল ফুরকান, ৭ ও ২০; আল আম্বিয়া, ৭ ও ৮ এবং আর রা'দ ৩৮ আয়াত) তখন তারা কৌশল পরিবর্তন করে বললো, বেশতো, মানুষই রাসূল হয়েছেন তা ঠিক৷ কিন্তু তাকে তো কোন নামজাদা লোক হতে হবে৷ তিনি হবেন সম্পদশালী, প্রভাবশালী, বড় দলবদলের অধিকারী এবং মানুষের মধ্যে তার ব্যক্তিত্বেও প্রভাব থাকবে৷ সে জন্য মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি করে উপযুক্ত হতে পারেন ?
৩১. এটা তাদের আপত্তির জবাব৷এ জবাবের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি কথায় অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ন বিষয় বলা হয়েছে৷ প্রথম বিষয়টি হলো, তোমার রবের রহমত বন্টন করার দায়িত্ব তাদেরকে কবে দেয়া হলো ? আল্লাহ তাঁর রহমত কাকে দান করবেন আর কাকে দান করবেন না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কি তাদের কাজ ? (এখানে রবের রহমত অর্থ তাঁর ব্যাপক রহমত৷ যে রহমত থেকে প্রত্যেকেই কিছু না কিছু লাভ করে থাকে)৷

দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, নবুওয়াত তো অনেক বড় জিনিস৷ পৃথিবীতে জীবন যাপন করার যে সাধারণ উপায় -উপকরণ আছে তার বন্টন ব্যবস্থাও আমি নিজের হাতেই রেখেছি, অন্য কারো হাতে তুলে দেইনি৷ আমি কাউকে সুশ্রী এবং কাউকে কুশ্রী, কাউকে সুকন্ঠের অধিকারী এবং কাউকে অপ্রিয় কন্ঠের অধিকারী, কাউকে শক্তিশালী - সুঠামদেহী এবং কাউকে দুর্বল, কাউকে মেধাবী এবং কাউকে মেধাহীন, কাউকে মজবুত স্মৃতি শক্তির অধিকারী এবং কাউকে স্মৃতিশক্তিহীন, কাউকে সুস্থ অঙ্গ - প্রত্যাঙ্গেও অধিকারী, কাউকে বিকলাঙ্গ, অন্ধ অথবা বোবা, কাউকে আমীর পুত্র এবং কাউকে গরীবের পুত্র, কাউকে উন্নত জাতির সদস্য এবং কাউকে পরাধীন অথবা পশ্চাদপদ জাতির সদস্য হিসেবে সৃষ্টি করে থাকি৷ জন্মগত এই ভাগ্যের ব্যাপারে কেউ সামান্যতম কর্তৃত্বও খাটাতে পারে না৷ আমি যাকে যা বানিয়েছি সে তাই হতে বাধ্য এবং কারো তাকদীরের ওপর এই ভিন্ন ভিন্ন জন্মগত অবস্থার যে প্রভাবই পড়ে তা পাল্টে দেয়ার সাধ্য কারো নেই৷ তাছাড়া আমিই মানুষের মধ্যে রিযিক, ক্ষমতা, মর্যাদা, খ্যাতি, সম্পদ ও শাসন কর্তৃত্ব ইত্যাদি বন্টন করছি৷ যে আমার পক্ষ থেকে সৌভাগ্য লাভ করে কেউ তার মর্যাদাহানি করতে পারে না৷ আর আমার পক্ষ থেকে যার জন্য দুর্ভাগ্যে ও অধপতন এসে যায় কেউ তাকে পতন থেকে রক্ষা করতে পারে না৷ আমার সিদ্ধান্তের মোকাবিলায় মানুষের সমস্ত চেষ্টা ও কৌশল কোন কাজেই আসে না৷ এই বিশ্বজনীন খোদায়ী ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব জাহানের অধিপতি কাকে তার নবী বানাবেন আর কাকে বানাবেন না সে ব্যাপারে এসব লোক কি ফায়সালা করতে চায় ?

তৃতীয় বিষয়টি হলো, এই খোদায়ী ব্যবস্থাপনায় একজনকেই সব কিছু অথবা সবাইকে সব কিছু না দেয়ার চিরস্থায়ী একটি নিয়মের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়৷ চোখ মেলে দেখো, আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে সর্বত্র সর্ব ক্ষেত্রে পার্থক্যই নজরে পড়বে৷ আমি কাউকে কোন জিনিস দিয়ে থাকলে আরেকটি জিনিস থেকে তাকে বঞ্ঝিত করেছি৷ এবং সেটি অন্য কাউকে দিয়েছি৷ এমনটি করার ভিত্তি হলো কোন মানুষই যেন অন্য মানুষদের মুখাপেক্ষিতা মুক্ত না হয়৷ বরং কোন না কোন ব্যাপারে প্রত্যেকেই পরস্পরের মুখাপেক্ষী থাকে৷ যাকে আমি নেতৃত্ব ও প্রভাব -প্রতিপত্তি দান করেছি নবুওয়াতও তাকেই দিতে হবে এরূপ নির্বুদ্ধিতামুলক ধ্যান -ধারনা তোমাদের মগজে ঢুকলো কি করে? অনুরূপ তোমরা কি একথাও বলবে যে, একজনের মধ্যেই বুদ্ধি, জ্ঞান, সম্পদ, সৌন্দর্য, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব এবং অন্য সব পূর্ণতার সমাবেশ ঘটাতে হবে এবং যে একটি জিনিসও পায়নি তাকে অন্য কোন জিনিসই দিতে হবে না?
৩২. এখানে রবের রহমত অর্থ তাঁর বিশেষ রহমত, অর্থাৎ নবুওয়াত৷ এর সারমর্ম হলো, তোমরা নিজেদের যেসব নেতাকে তাদের সম্পদ, প্রভাব, প্রতিপত্তি ও মুরুব্বিয়ানার কারণে বড় একটা কিছু মনে করছো তা মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সম্পদ দেয়া হয়েছে তার সমপর্যায়ের নয়৷ এ সম্পদ ঐ সম্পদ থেকে অনেক গুন বেশী উৎকৃষ্টতার মানদন্ড অন্য কিছু৷ তোমরা যদি মনে করে থাকো, তোমাদের প্রত্যেক চৌধুরী আর শেঠই নবী হওয়ার উপযুক্ত তাহলে সেটা তোমাদের নিজেদের ধ্যান -ধারণার পশ্চাদপদতা৷ আল্লাহর কাছে এ ধরনের অজ্ঞতার আশা করো কেন?
৩৩. অর্থাৎ এই সোনা রূপা যা কারো লাভ করা তোমাদের দৃষ্টিতে চরম নিয়ামত প্রাপ্তি এবং সম্মান ও মর্যাদার চরম শিখরে আরোহণ, তা আল্লাহর দৃষ্টিতে এতই নগণ্য যে, যদি সমস্ত মানুষের কুফরীর প্রতি ঝুঁকে পড়ার আশংকা না থাকতো তাহলে তিনি প্রত্যেক কাফেরের বাড়ীঘর সোনা ও রূপা দিয়ে তৈরী করে দিতেন৷ এই নিকৃষ্ট বস্তুটি কখন থেকে মানুষের মর্যাদা ও আত্মার পবিত্রতার প্রমান হয়ে দাঁড়িয়েছে? এই সম্পদ তো এমন সব মানুষের কাছেও আছে যাদের ঘৃণ্য কাজ -জর্মের পংকিলতায় গোটা সমাজ পূতিগন্ধময় হয়ে যায়৷ আর একেই তোমরা মানুষের শ্রেষ্টত্বের মানদন্ড বানিয়ে রেখেছো৷