(২৮:১৪) মূসা যখন পূর্ণ যৌবনে পৌঁছে গেলো এবং তার বিকাশ পূর্ণতা লাভ করলো১৮ তখন আমি তাকে হুকুম ও জ্ঞান দান করলাম,১৯ সৎলোকদেরকে আমি এ ধরনেরই প্রতিদান দিয়ে থাকে৷
(২৮:১৫) (একদিন) সে শহরে এমন সময় প্রবেশ করলো যখন শহরবাসী উদাসীন ছিল৷২০ সেখানে সে দেখলো দু'জন লোক লড়াই করছে৷ একজন তার নিজের সম্প্রদায়ের এবং অন্যজন তার শত্রু সম্প্রদায়ের৷ তার সম্প্রদায়ের লোকটি শত্রু সম্প্রদায়ের লোকটির বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করার জন্য ডাক দিল৷ মূসা তাকে একটি ঘুষি মারলো২১ এবং তাকে মেরে ফেললো৷ (এ কাণ্ড ঘটে যেতেই) মূসা বললো, "এটা শয়তানের কাজ, সে ভয়ংকর শত্রু এবং প্রকাশ্য পথভ্রষ্টকারী৷"২২
(২৮:১৬) তারপর সে বলতে লাগলো, "হে আমার রব! আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি, আমাকে ক্ষমা করে দাও? "২৩ তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন তিনি ক্ষমাশীল মেহেরবান৷ ২৪
(২৮:১৭) মূসা শপথ করলো, "হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি এই যে অনুগ্রহ করেছো২৫ এরপর আমি আর অপরাধীদের সাহায্যকারী হবো না৷"২৬
(২৮:১৮) দ্বিতীয় দিন অতি প্রত্যুষে সে ভয়ে ভয়ে এবং সর্বদিক থেকে বিপদের আশংকা করতে করতে শহরের মধ্যে চলছিল৷ সহসা দেখলো কি, সেই ব্যক্তি যে গতকাল সাহায্যের জন্য তাকে ডেকেছিল আজ আবার তাকে ডাকছে৷ মূসা বললো, "তুমি তো দেখছি স্পষ্টতই বিভ্রান্ত৷" ২৭
(২৮:১৯) তারপর মূসা যখন শত্রু সম্প্রদায়ের লোকটিকে আক্রমণ করতে চাইলো ২৮ তখন সে চিৎকার করে উঠলো, ২৯ "হে মূসা! তুমি কি আজকে আমাকে ঠিক তেমনিভাবে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছো যেভাবে গতকাল একজনকে হত্যা করেছিলে? "তুমি তো দেখছি এদেশে স্বেচ্ছাচারী হয়ে থাকতে চাও, সংস্কারক হতে চাও না?
(২৮:২০) এরপর এক ব্যক্তি নগরীর দূর প্রান্ত থেকে ছুটে এলো ৩০ এবং বললো, "হে মূসা! সরদারদের মধ্যে তোমাকে হত্যা করার পরামর্শ চলছে৷ এখান থেকে বের হয়ে যাও৷ আমি তোমার মঙ্গলাকাংখী৷"
(২৮:২১) এ খবর শুনতেই মূসা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বেরিয়ে পড়লো এবং সে দোয়া করলো, "হে আমার রব! আমাকে জালেমদের হাত থেকে বাঁচাও৷"
১৮. অর্থাৎ যখন তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সর্ম্পূণ হয়ে গেলো৷ ইহুদী বিবরন সমূহে এ সময় হযরত মূসার বিভিন্ন বয়সের কথা বলা হয়েছে৷ কোথাও ১৮,কোথাও ২০ আবার কোথাও ৪০ বছরো বলা হয়েছে৷ বাইবেলের নূতন নিয়মে ৪০বছর বলা হয়েছে(প্রেরিতদের কার্য বিবরন ৭:২৩)কিন্তু কোরআন কোন বয়স নির্দেশ করেনি৷ যে উদ্দেশ্যে কাহীনি বর্ণনা করা হয়েছে সেজন্য কেবল মাত্র এতটুকু জেনে নেয়াই যতেষ্ঠ যে, সামনের দিকে যে ঘটনার কথা বলা হচ্ছে তা এমন এক সময়ের, যখন হযরত মূসা আলাহিসসালাম পূর্ণ যৌবনে পৌছে গিয়েছিলেন৷
১৯. হুকুম অর্থ হিকমত, বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা, ধী-শক্তি ও বিচারবুদ্ধি৷ আর জ্ঞান বলতে বুঝানো হয়েছে দ্বীনী ও দুনিয়াবী উভয় ধরনের তত্ত্বজ্ঞান৷ কারণ নিজের পিতামাতার সাথে সম্পর্ক-সম্বন্ধ প্রতিষ্ঠিত থাকার কারণে তিনি নিজের বাপ-দাদা তথা ইউসুফ, ইয়াকুব ও ইসহাক আলাইহিমুস সালামের শিক্ষার সাথে পরিচিত হতে পেরেছিলেন৷ আবার তদানীন্তন বাদশাহর পরিবারে প্রতিপালিত হবার কারণে সমকালীন মিসরবাসীদের মধ্যে প্রচলিত জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন৷ এ হুকুম ও জ্ঞানদান অর্থ নবুওয়াত দান নয়৷ কারণ নবুওয়াত তো মূসাকে এর কয়েক বছর পরে দান করা হয়৷ সামনের দিকে একথা বর্ণনা করা হয়েছে৷ ইতিপূর্বে সূরা শু'আরায়ও (২১ আয়াত) এ বর্ণনা এসেছে৷
২০. হতে পারে এটা ছিলো একেবারে ভোর বেলা অথবা গরম কালের দুপুরের সময় কিংবা শীত কালে রাতের বেলা৷ মোটকথা, তখন সময়টা এমন ছিল যখন পথ ঘাট ছিল জন কোলাহল মুক্ত এবং সারা শহর ছিল নিরব নিঝুম৷"শহরে প্রবেশ করলো" এ শব্দ গুলো থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, রাজ প্রাসাদ সাধরন জনবসতি থেকে দূরে অবস্থিত ছিল৷ হযরত মুসা যেহেতু রাজপ্রাসাদে থাকতেন তাই শহরে বের হলেন, না বলে বলা হয়েছে, শহরে প্রবেশ করলেন৷
২১. মূলে وكـز শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে৷ এর অর্থ চড় মারাও হতে পারে আবার ঘুষি মারাও হতে পারে৷ চড়ের তুলনায় ঘুষির আঘাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশী৷ তাই আমি এখানে অনুবাদে ঘুষি শব্দ গ্রহণ করেছি৷
২২. এ থেকে অনুমান করা যায়, ঘুঁষি খেয়ে মিসরীয়টি যখন পড়ে গেল এবং পড়ে গিয়ে মারা গেল তখন কী ভিষন লজ্জা ও শংকার মধ্যে হযরত মুসার মুখ থেকে কথা গুলো বের হয়ে গিয়ে খাকবে৷ হত্যা করার ইচ্ছা তাঁর ছিল না৷ হত্যা করার উদ্দেশ্যে ঘুঁষি মারাও হয়নি৷ কেও এটা আশাও করেনি, একটি ঘুঁষি খেয়েই একজন সুস্থ সবল লোক মারা যাবে৷ তাই হযরত মুসা বললেন, এটা শয়তানের কোন খারাপ পরিকল্পনা বলে মনে হচ্ছে৷ সে একটি বড় বিপর্যয় ঘটাবার জন্য আমার হাত দিয়ে একাজ করিয়েছে৷ ফলে আমার বিরুদ্ধে একজন ইসরাঈলীকে সাহায্য করার জন্য একজন কিবতীকে হত্যা করার অভিযোগ আসবে এবং শুধু আমার বিরুদ্ধে নয় বরং সমগ্র ইসরাঈলী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মিসরে একটি বিরাট হাংগামা সৃষ্টি হবে৷ এ ব্যাপারে বাইবেলের বর্ণনা কুরআন থেকে ভিন্ন৷ বাইবেল হযরত মূসার বিরুদ্ধে সেচ্চাকৃত হত্যার আভিযোগ এনেছে৷ তার বর্ণনা মতে মিসরীয় ও ইসরাঈলীকে লড়াই করতে দেখে হযরত মূসা "এদিক ওদিক চহিয়া কাহাকেও দেখিতে না পাওয়াতে ঐ মিস্রীয়কে বধ করিয়া বালির মধ্যে পুতিয়া রাখিলেন৷" (যাহা পুস্তক ২:১২) তালমূদেও একথা বলা হয়েছে ৷এখন বনী ইসরাঈল কিভাবে নিজেদের মনীষীদের চরিত্রে নিজেরাই কলংক লেপন করেছে এবং কুরআন কিতাবে তাঁদের ভূমিকা পরিচ্ছন্ন ও কলঙকমূক্ত করেছে তা যে কোন ব্যাক্তি বিচার করতে পারে৷ সাধারন বিবেক বুদ্ধিও এ কথা বলে, একজন জ্ঞানী, বুদ্ধিমান, বিচক্ষন ব্যাক্তি, পরবর্তীকালে যাঁকে হতে হবে একজন মহীমান্বিত পয়গম্বর এবং মানুষকে ইনসাফ ও ন্যায়নীতির একটি মর্যাদাশালী আইন ব্যাবস্থা দান করা হবে যাঁর দায়িত্ব, তিনি এমন একজন অন্ধ জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না যে, নিজের জাতির একজনকে অন্য জাতীর কোন ব্যাক্তির সাথে মারামারি করতে দেখে ক্রোধে ক্ষিপ্ত হয়ে সেচ্ছায় বিপক্ষীয় ব্যাক্তিকে মেরে ফেলবেন৷ ইসরাইলীকে মিসরীয়দের কবজায় দেখে তাকে ছাড়িয়ে নেবার জন্য হত্যা করা যে, বৈধ হতে পারে না, তা বলাই নিস্প্রয়োজন৷
২৩. মূল শব্দ হচ্ছে"মাগিফরাত" এর অর্থ ক্ষমা করা ও মাফ করে দেয়াও হয় আবার গোপনীয়তা রক্ষা করাও হয়৷ হযরত মূসা (আ:) দোয়ার অর্থ ছিল, আমার এ গোনাহ (যা তুমি জানো, আমি জেনে-বুঝে করিনি) তুমি মাফ করে দাও এবং এর ওপর আবরন দিয়ে ঢেকে দাও, যাতে শত্রুরা জানতে না পারে৷
২৪. এরও দুই অর্থ এবং দুটিই এখানে প্রযোজ্য৷ অর্থাত আল্লাহ তাঁর এ ত্রুটি মাফ করে দেন এবং হজরত মূসার গোপনীয়তাও রক্ষা করেন৷ অর্থাত কিবতী জাতির কোন ব্যাক্তি এবং কিবতী সরকারের কোন লোকের সে সময় তাদের আশেপাশে বা ধারে কাছে গমনাগমন হয়নি৷ ফলে তারা কেউ এ হত্যাকান্ড দেখেনি৷ এভাবে হযরত মূসার পক্ষে নির্বিঘ্নে ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়ার সুযোগ ঘটে৷
২৫. অর্থাৎ আমার কাজটি যে গোপন থাকতে পেরেছে, শত্রু জাতির কোন ব্যক্তি যে আমাকে দেখতে পায়নি এবং আমার সরে যাওয়ার যে সুযোগ ঘটেছে, এই অনুগ্রহ৷
২৬. মূসার এ অংগীকার অত্যন্ত ব্যাপক অর্থবোধক শব্দাবলীর মাধ্যমে সাধিত হয়েছে৷ এর অর্থ কেবল এই নয় যে, আমি কোন অপরাধীর সহায়ক হবো না বরং এর অর্থ এটাও হয় যে, আমার সাহায্য-সহায়তা কখনো এমন লোকদের পক্ষে থাকবে না যারা দুনিয়ায় জুলুম ও নিপীড়ণ চালায় ৷ ইবনে জারীর এবং অন্য কয়েকজন তাফসীরকারক এভাবে এর একেবারে সঠিক অর্থ নিয়েছেন যে, সেই দিনই মূসা ফেরাউন ও তার সরকারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার অংগীকার করেন৷কারণ ফেরাউনের সরকার ছিল একটি জালেম সরকার এবং সে আল্লাহর এ সরযমীনে একটি অপরাধমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছিল৷ তিনি অনুভব করেন, কোন ঈমানদার ব্যক্তি একটি জালেম সরকারের হাতিয়ারে পরিণত হতে এবং তার শক্তি ও পরাক্রান্ত বৃদ্ধির কাজে সহায়তা করতে পারে না৷

মুসলিম আলেমগণ সাধারণভাবে মূসার এ অংগীকার থেকে একথা প্রমাণ করেছেন যে, একজন মু'মিনের কোন জালেমকে সাহায্য করা থেকে পুরোপুরি দূরে থাকা উচিত৷ সে জালেম কোন ব্যক্তি , দল, সরকার বা রাষ্ট্র যেই হোক না কেন ৷ প্রখ্যাত তাবেঈ আতা ইবনে আবী রাবাহর কাছে এক ব্যক্তি বলে, আমার ভাই বনী উমাইয়া সরকারের অধীনে কূফার গভর্ণরের কাতিব (সচিব) , বিভিন্ন বিষয়ের ফায়সালা করা তার কাজ নয়, তবে যেসব ফায়সালা করা হয় সেগুলো তার কলমের সাহায্যেই জারী হয়৷ এ চাকুরী না করলে সে ভাতে মারা যাবে৷ আতা জবাবে এ আয়াতটি পাঠ করেন এবং বলেন, তোমার ভাইয়ের নিজের কলম ছুঁড়ে ফেলে দেয়া উচিত , রিযিকদাতা হচ্ছেন আল্লাহ ৷ আর একজন কাতিব 'আমের শা'বীকে জিজ্ঞেস করেন, "হে আবু 'আমর! আমি শুধুমাত্র হুকুমনামা লিখে তা জারী করার দায়িত্ব পালন করি মূল ফায়সালা করার দায়িত্ব আমার নয়৷ এ জীবিকা কি আমার জন্য বৈধ ? " তিনি জবাব দেন , "হতে পারে কোন নিরাপরাধ ব্যক্তিকে হত্যার ফায়সালা করা হয়েছে এবং তোমার কলম দিয়ে তা জারী হবে৷ হতে পারে, কোন সম্পদ নাহক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অথবা কারো গৃহ ধ্বসানোর হুকুম দেয়া হয়েছে এবং তা তোমার কলম দিয়ে জারী হচ্ছে" ৷ তারপর ইমাম এ আয়াতটি পাঠ করেন৷ আয়াতটি শুনেই কাতিব বলে ওঠেন, "আজকের পর থেকে আমার কলম বনী উমাইয়ার হুকুমনামা জারী হবার কাজে ব্যবহৃত হবে না৷" ইমাম বললেন, "তাহলে আল্লাহও তোমাকে রিযিক থেকে বঞ্চিত করবেন না৷"

আবদুর রহমান ইবনে মুসলিম যাহ্হাককে শুধুমাত্র বুখারায় গিয়ে সেখানকার লোকদের বেতন বণ্টন করে দেবার কাজে পাঠাতে চাচ্ছিলেন৷ কিন্তু তিনি সে দায়িত্ব গ্রহণ করতেও অস্বীকার করেন৷ তাঁর বন্ধুরা বলেন, এতে ক্ষতি কি ? তিনি বলেন, আমি জালেমদের কোন কাজেও সাহায্যকারী হতে চাই না৷

ইমাম আবু হানীফার একটি ঘটনা তাঁর নির্ভরযোগ্য জীবনীকারগণ আল মুওয়াফ্ফাক আল মক্কী, ইবনুল বায্যার আল কারওয়ারী, মুল্লা আলী কারী প্রমূখ সবাই তাঁদের গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন৷ বলা হয়েছে , তারই পরামর্শক্রমে বাদশাহ মনসূরের প্রধান সেনাপতি হাসান ইবনে কাহ্তুবাহ একথা বলে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেন যে, আজ পর্যন্ত এতটুকুই যথেষ্ট৷ কিন্তু এ যদি জুলুমের পথে হয়ে থাকে তাহলে আমার আমল নামায় আমি আর কোন অপরাধের সংখ্যা বাড়াতে চাই না৷
২৭. অর্থাৎ তুমি ঝগড়াটে স্বভাবের বলে মনে হচ্ছে৷ প্রতিদিন কারো না কারো সাথে তোমার ঝগড়া হতেই থাকে৷ গতকাল একজনের সাথে ঝগড়া বাধিয়েছিল, আজ আবার আর একজনের সাথে বাধিয়েছো৷
২৮. বাইবেলের বর্ণনা এখানে কোরআন থেকে আলাদা৷ বাইবেল বলে, দ্বিতীয় দিনের ঝগড়া ছিল দু'জন ইসরাঈলীর মদ্ধে৷ কিন্তু কোরআন বলেছে, এঝগড়াও ইসরাঈলী ও মিসরীয়ের মদ্ধে ছিল৷ এ দ্বিতীয় বর্ণনাটিই যুক্তি সংগত বলে মনে হয়৷ কারন প্রথম দিনের হত্যার রহস্য প্রকাশ হবার যে কথা সামনের দিকে আসছে মিসরীয় জাতীর একজন লোক সে ঘটনা জানতে পারলেই তা প্রকাশ পাওয়া সম্ভব হতো৷ একজন ইসরাঈলী তা জানতে পারলে সে সঙ্গে সঙ্গেই নিজের জাতির পালক-রাজপুত্রের এত বড় অপরাধের খবর ফেরাউনী সরকারের গোচরীভূত করবে এটা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার৷
২৯. যে ইসরাঈলীকে সাহায্য করার জন্য মূসা এগিয়ে গিয়েছিলেন , এ ছিল তারই চিৎকার৷ তাকে ধমক দেবার পর যখন তিনি মিসরীয়টিকে মারতে উদ্যত হলেন তখন ইসরাঈলীটি মনে করলো মূসা বুঝি তাকে মারতে আসছেন৷ তাই সে চিৎকার করতে থাকলো এবং বোকামির জন্য গতকালের হত্যা রহস্যও প্রকাশ করে দিল৷
৩০. অর্থাৎ এ দ্বিতীয় ঝগড়ার ফলে হত্যা রহস্য প্রকাশ হয়ে যাবার পর সংশ্লিষ্ট মিসরীয়টি যখন গিয়ে সরকারকে জানিয়ে দিল তখন এ পরামর্শের ঘটনা ঘটে৷