(২:২২২) তোমাকে জিজ্ঞেস করছে, হায়েয সম্পর্কে নির্দেশ কি? বলে দাওঃ সেটি একটি অশুচিকর ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থা ৷ ২৩৮ এ সময় স্ত্রীদের থেকে দূরে থাকো এবং তারা পাক-সাফ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ধারে কাছেও যেয়ো না ৷ ২৩৯ তারপর যখন তারা পাক-পবিত্র হয়ে যায়, তাদের কাছে যাও যেভাবে যাবার জন্য আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন ৷ ২৪০ আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা অসৎকাজ থেকে বিরত থাকে ও পবিত্রতা অবলম্বন করে ৷
(২:২২৩) তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের কৃষিক্ষেত ৷ তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তোমাদের কৃষিক্ষেতে যাও ৷ ২৪১ তবে নিজেদের ভবিষ্যতের চিন্তা করো৷ ২৪২ এবং আল্লাহর অসন্তোষ থেকে দূরে থাকো ৷ একদিন তোমাদের অবশ্যি তাঁর সাথে সাক্ষাত করতে হবে, একথা ভালোভাবেই জেনে রাখো৷ আর হে নবী! যারা তোমার বিধান মেনে নেয় তাদেরকে সাফল্য ও সৌভাগ্যের সুখবর শুনিয়ে দাও ৷
(২:২২৪) যে শপথের উদ্দেশ্য হয় সৎকাজ, তাকওয়া ও মানব কল্যাণমূলক কাজ থেকে বিরত থাকা , তেমন ধরণের শপথবাক্য উচ্চারণ করার জন্য আল্লাহর নাম ব্যবহার করো না ৷ ২৪৩ আল্লাহ তোমাদের সমস্ত কথা শুনছেন এবং তিনি সবকিছু জানেন ৷
(২:২২৫) তোমরা অনিচ্ছায় যেসব অর্থহীন শপথ করে ফেলো সেগুলোর জন্য আল্লাহ তোমাদের পাকড়াও করবেন না, ২৪৪ কিন্তু আন্তরিকতার সাথে তোমরা যেসব শপথ গ্রহণ করো সেগুলোর জন্য অবশ্যি পাকড়াও করবেন৷ আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল ও সহিষ্ণু ৷
(২:২২৬) যেসব লোক নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সম্পর্ক না রাখার কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য রয়েছে চার মাসের অবকাশ ৷ ২৪৬ যদি তারা রুজ করে (ফিরে আসে ) তাহলে আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু ৷ ২৪৬
(২:২২৭) আর যদি তারা তালাক দেবার সংকল্প করে ২৪৭ তাহলে জেনে রাখো আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন ৷ ২৪৮
(২:২২৮) তালাক প্রাপ্তাগণ তিনবার মাসিক ঋতুস্রাব পর্যন্ত নিজেদেরকে বিরত রাখবে ৷ আর আল্লাহ তাদের গর্ভাশয়ে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তাকে গোপন করা তাদের জন্য বৈধ নয় ৷ তাদের কখনো এমনটি করা উচিত নয় , যদি তারা আল্লাহও পরকালে বিশ্বাসী হয়, তাদের স্বামীরা পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনে প্রস্তুত হয়, তাহলে তারা এই অবকাশ কালের মধ্যে তাদেরকে নিজের স্ত্রী হিসেবে ফিরিয়ে নেবার অধিকারী হবে ৷ ২৪৯ নারীদের জন্যও ঠিক তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে যেমন পুরুষদের অধিকার আছে তাদের ওপর ৷ তবে পুরুষদের তাদের ওপর একটি মর্যাদা আছে ৷ আর সবার ওপরে আছেন আল্লাহ সর্বাধিক ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অধিকারী , বিচক্ষণ ও জ্ঞানী ৷
২৩৮. মূল আয়াতে 'আযা' শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে৷ এর অর্থ হয় অশুচিতা, অপরিচ্ছন্নতা আবার রোগ-ব্যধিও৷ হায়েয কেবলমাত্র একটি অশুচিতা ও অপরিচ্ছন্নতাই নয় বরং চিকিৎসা শাস্ত্রের দৃষ্টিতে এই অবস্থাটি সুস্থতার তুলনায় অসুস্থতারই বেশী কাছাকাছি৷
২৩৯. এ ধরনের বিষয়গুলোক কুরআন মজীদ উপমা ও রূপকের মাধ্যমে পেশ করে৷ তাই এখানে দূরে থাকা ও ধারে কাছে না যাওয়া শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে৷ কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, ঋতুবতী নারীর সাথে এক বিছানায় বসা বা এক সাথে খাওয়া-দাওয়া করা যাবে না৷ তাদেরকে অস্পর্শ-অশুচি মনে করে এক ধারে ঠেলে দিতে হবে, এমন কথা নয়৷ যদিও ইহুদি, হিন্দু, ও অন্যান্য অমুসলিম জাতিদের মধ্যে ঋতুবতী স্ত্রীদের সাথে এ ব্যবহার কোথাও কোথাও প্রচলিত দেখা যায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ নির্দেশটির যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা থেকে বুঝা যায়, ঋতুবতী অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে কেবলমাত্র সহবাস ছাড়া বাকি সকল প্রকার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারে৷
২৪০. এখানে শরীয়াতের নির্দেশের কথা বলা হয়নি৷ বরং এমন নির্দেশের কথা বলা হয়েছে যা স্বভাব সিদ্ধ ও প্রকৃতিজাত৷ মানুষ ও জীবজন্তুর স্বভাব ও প্রকৃতির মধ্যে যাকে নীরবে ও সংগোপনে ক্রিয়াশীল রাখা হয়েছে এবং পৃথিবীতে বসবাসকারী প্রতিটি প্রাণী যে সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই সচেতন৷
২৪১. অর্থাৎ আল্লাহ সৃষ্ট প্রাকৃতিক নিয়ম নারীকে পুরুষের বিচরণক্ষেত্র হিসেবে তৈরী করেনি এবং তাদের উভয়ের মধ্যে জমি ও কৃষকের মতো একটা সম্পর্ক রয়েছে৷ জমিতে কৃষক নিছক বিচরণ ও ভ্রমণ করতে যায় না৷ জমি থেকে ফসল উৎপাদন করার জন্যই সে সেখানে যায়৷ মানব বংশ ধারার কৃষককেও মানবতার এই জমিতে সন্তান উৎপাদন ও বংশধারাকে সুমন্নত রাখার লক্ষেই যেতে হবে৷ মানুষ এই জমিতে কিভাবে ফসল উৎপাদান করবে সে সম্বন্ধে আল্লাহর শরীয়াতের কোন বক্তব্য নেই৷ তবে তার দাবী কেবল এতটুকুন যে,তাকে জমিতেই যেতে হবে এবং সেখান থেকে ফসল উৎপাদন করার লক্ষ্যেই যেতে হবে৷
২৪২. এখানে ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে৷ এর দু'টি অর্থ হয়৷ দু'টিরই গুরুত্ব সমান৷ এর একটি অর্থ হচ্ছে, তোমাদের বংশধারা রক্ষা করার চেষ্টা করো৷ তোমাদের দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই যেন তোমাদের স্থান গ্রহণকারী তৈরী হয়ে যায়৷ দ্বিতীয় অর্থটি হচ্ছে, যে পরবর্তী বংশধরকে তোমরা নিজেদের স্থলাভিষিক্ত করে যাচ্ছো,তাকে দীন, ঈমান, চরিত্র, নৈতিকতা ও মানবিক গুনাবলীতে ভূষিত করার চেষ্টা করো৷ পরবর্তী বাক্যে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে, এই দু'টি দায়িত্ব পালনে তোমরা যদি স্বেচ্ছায় গাফলতি বা ত্রুটি করো তাহলে আল্লাহর কাছে তোমাদের জবাবদিহি করতে হবে৷
২৪৩. সহীহ হাদীস থেকে জানা যায়, কোন ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম খাওয়ার পর যখন কসম ভেঙে ফেলাই তার জন্য কল্যাণকর বলে সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারে তখন তার কসম ভেঙে ফেলা এবং তার কাফ্‌ফারা আদায় করা উচিত৷ কসম ভাঙার কাফ্‌ফারা হচ্ছে, দশজন মিসকিনকে আহার করানো অথবা তাদের ব্স্ত্রদান করা বা একটি দাস মুক্ত করে দেয়া অথবা তিন দিন রোযা রাখা৷ (সূরা মা-য়েদাহর ৮৯ আয়াত দেখুন)৷
২৪৪. অর্থাৎ কথার কথা হিসেবে অনিচ্ছাকৃতভাবে যেসব শপথ বাক্য তোমাদের মুখ থেকে বের হয়ে যায়, সেগুলোর জন্য কোন কাফ্‌ফারা দিতে এবং আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে না৷
২৪৬. ফিকাহর পরিভাষায় একে বলা হয়, 'ঈলা'৷ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সবসময় মধুর সম্পর্ক থাকা তো সম্ভব নয়৷ বিভিন্ন সময় সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার বহুবিধ কারণ সৃষ্টি হয়ে যায়৷ কিন্তু আল্লাহর শরীয়াত এমন ধরনের সম্পর্ক ভাঙা পছন্দ করে না যার ফলে উভয়ে আইনগতভাবে দাম্পত্য বাঁধনে আটকে থাকে কিন্তু কার্যত পরস্পর এমনভাবে আলাদা থাকে যেন তারা স্বামী-স্ত্রী নয়৷ এই ধরণের সম্পর্ক বিকৃতির জন্য আল্লাহ চার মাস সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন৷ এই চার মাসের মধ্যে উভয়ের মধ্যে স্বাম-স্ত্রীর সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত করতে হবে৷ অন্যথায় এই সম্পর্ক ছিন্ন করে দিতে হবে৷ তারপর উভয়ের স্বাধীনভাবে নিজের ইচ্ছামতো বিয়ে করতে পারবে৷

আয়াতে যেহেতু 'কসম খেয়ে বসা' শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে তাই হানাফী ও শাফেঈ ফকীহগণ এই আয়াতের যে অর্থ গ্রহণ করেছেন তা হচ্ছে এই যে, যেখানে স্বামী তার স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক না রাখার কসম খায় একমাত্র সেখানেই এই বিধানটি কার্যকর হবে৷ আর কসম না খেয়ে দাম্পত্য সম্পর্ক যত দীর্ঘকালের জন্য ছিন্ন করুক না কেন এই আয়াতের নির্দেশ সেখানে প্রযোজ্য হবে না৷ কিন্তু মালেকী ফকীহদের মত হচ্ছে, কসম খাক বা না খাক উভয় অবস্থায় এই চার মাসের অবকাশ পাবে৷ ইমা আহমাদের (র) একটি বক্তব্যও এর সমর্থনে পাওয়া যায় ৷

হযরত আলী (রা), ইবনে আব্বাস (রা) ও হাসান বসরীর (র) মতে এই নির্দেশটি শুধুমাত্র বিকৃতির কারণে যে সম্পর্কচ্ছেদ হয় তার জন্য প্রযোজ্য৷ তবে কোন অসুবিধার কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক থাকা অবস্থায় স্বামী যদি স্ত্রীর সাথে দৈহিক সম্পর্কবিচ্ছেদ করে তবে তার ওপর এই নির্দেশটি প্রযোজ্য হবে না৷ কিন্তু অন্যান্য ফকীহদের মতে স্বামী-স্ত্রী মধ্যকার দৈহিক সম্পর্ক ছিন্নকারী প্রত্যেকটি শপথই 'ঈলা'র অন্তরভুক্ত এবং সন্তুষ্টির সাথে হোক বা অসন্তুষ্টির সাথে হোক চার মাসের বেশী সময় পর্যন্ত এই ধরনের অবস্থা অব্যাহত থাকা উচিত নয়৷
২৪৬. কোন কোন ফকীহ এ বাক্যের অর্থ এভাবে গ্রহণ করেছেন যে, এই নির্দিষ্ট সময়-কালের মধ্যে যদি তারা নিজেদের কসম ভেঙে ফেলে এবং তাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক পূণঃ স্থাপন করে নেয়, তাহলে তাদের কসম ভাঙার কাফ্‌ফারা আদায় করতে হবে না৷ আল্লাহ তাদেরকে এমনিতেই মাফ করে দেবেন৷ কিন্তু অধিকাংশ ফকীহর মত হচ্ছে এই যে,কসম ভাঙার জন্য কাফ্‍্‍ফারা আদায় করতে হবে৷ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু বলার মানে এই নয় যে, কাফ্‌ফারা মাফ করে দেয়া হয়েছে৷ বরং এর মানে হচ্ছে, আল্লাহ তোমাদার কাফ্‍‍ফারা কবুল করে নেবেন এবং সম্পর্কচ্ছেদের সময়ে তোমরা পরস্পরের ওপর যেসব বাড়াবাড়ি করেছিলে সেগুলো মাফ করে দেবেন৷
২৪৭. হযরত উসমান (রা), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা), হযরত যাযেদ ইবনে সাবেত (রা) প্রমুখ সাহাবীগণের মতে 'রুজু' করার অর্থ শপথ ভাঙার ও পনুরায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপন করার সুযোগ চার মাস সময়-কালের মধ্যে সীমাবদ্ধ৷ এই সময়টি অতিবাহিত হয়ে যাওয়া এই অর্থ বহন করে যে, স্বামীতালাক দেয়ার সংকল্প করেছে৷ তাই এ অবস্থায় এই নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হবার সাথে সাথেই আপনা আপনি তালাক অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে৷ সেটি হবে এক 'তালাক বায়েন' ৷ অর্থাৎ ইদ্দত পালনকালে স্বামীর আর স্ত্রীকে গ্রহণ করার অধিকার থাকবে না৷ তবে তারা উভয়ে চাইলে আবার নতুন করে বিয়ে করতে পারবে৷ হযরত উমর (রা), হযরত আলী (রা), হযরত ইবনে আব্বাস (রা) ও হযরত ইবনে উমর (রা) থেকেও এ ধরনের একটি বক্তব্য উদ্দৃত হয়েছে৷ হানাফী ফকীহগণ এই মতটিই গ্রহণ করেছেন৷ সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যেব, মাকহূল, যুহরী প্রমুখ ফীহগণ এই মতটির এই অংশটুকুর সাথে একমত হয়েছেন যে, চার মাস সময় অতিবাহিত হবার পর স্বতষ্ফূর্তভাবে তালাক অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে৷ কিন্তু তাঁদের মতে সেটা হবে এক 'তালাক রজঈ'৷ অর্থাৎ ইদ্দত পালন কালে স্বামী আবার স্ত্রীকে রুজু করার তথা দাম্পত্যা সম্পর্কে ফিরিয়ে নেয়ার অধিকারী হবে৷ আর যদি 'রুজু' না করে তাহলে ইদ্দত অতিবাহিত হবার পর দউ'জন আবার চাইলে বিয়ে করতে পারবে৷
২৪৮. অর্থাৎ যদি তুমি অন্যায়ভাবে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে থাকো,তাহলে আল্লাহর পাকড়াও সম্পর্কে নিশম্ক থেকো না৷ তিনি তোমার বাড়াবাড়ি ও অন্যায় সম্পর্কে অনবহিত নন৷
২৪৯. এই আয়াতে প্রদত্ত বিধানটির ব্যাপার ফকীহগণ বিভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন৷ তাঁদের একটি দলের মতে, স্ত্রীর তৃতীয় ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাবার পর যতক্ষণ সে গোসল করে পাক-সাফ না হয়ে যাবে ততক্ষণ তালাকে বায়েন অনুষ্ঠিত হবে না৷ এবং ততক্ষণ স্বামীর রুজু রার অধিকার থাকবে৷ হযরত আবু বকর (রা), হযরত উমর (রা), হযরত আলী (রা), হযরত ইবনে আব্বাস (রা), হযরত আবু মূসা আশ'আরী(রা), হযরত ইবনে মাসউদ (রা) এবং অন্যান্য বড় বড় সাহাবীগণ এই মত পোষন কেন৷ হানাফী ফকীহগণও এই মত গ্রহণ করে নিয়েছেন৷ বিপরীত পক্ষে অন্য দলটি স্ত্রীর তৃতীয় ঋতুস্রাব শুরু হবার সাথে সাথেই স্বামীর 'রুজু' করার অধিকার খতম হয়ে যাবে৷ এই মত পোষণ করেন, হযরত আয়েশা (রা), হযরত ইবনে উমর (রা), হযরত য়ায়েদ ইবনে সাবেত (রা), শাফেঈ ও মালেকী ফকীহগণ এই মত গ্রহণ করেছেন৷ কিন্তু মনে রাখতে হবে, এই নির্দেশটি কেবলমাত্র যখন স্বামী তার স্ত্রীকে এক বা দুই তালাক দেয় তখনকার অবস্থার সাথে সম্পর্কিত৷ স্বামী তিন তালাক দেয়ার পর আর তার রুজু করা অধিকার থাকবে না৷