(১৫:১৬) আকাশে আমি অনেক মজবুত দুর্গ নির্মাণ করেছি, দর্শকদের জন্য সেগুলো সুসজ্জিত করেছি৷
(১৫:১৭) এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেগুলোকে সংরক্ষণ করেছি৷ ১০ কোনো শয়তান সেখানে অনুপ্রবেশ করতে পারে না৷
(১৫:১৮) তবে আড়ি পেতে বা চুরি করে কিছু শুনতে পারে৷ ১১ আর যখন সে চুরি করে শোনার চেষ্টা করে তখন একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তাকে ধাওয়া করে৷১২
(১৫:১৯) পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি, তার মধ্যে পাহাড় স্থাপন করেছি, সকল প্রজাতির উদ্ভিদ তার মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিমাণে উৎপন্ন করেছি ১৩
(১৫:২০) এবং তার মধ্যে জীবিকার উপকরণাদি সরবরাহ করেছি তোমাদের জন্যও এবং এমন বহু সৃষ্টির জন্যও যাদের আহারদাতা তোমরা নও৷
(১৫:২১) এমন কোনো জিনিস নেই যার ভাণ্ডার আমার কাছে নেই এবং আমি যে জিনিসই অবতীর্ণ করি একটি নির্ধারিত পরিমাণেই করে থাকি৷১৪
(১৫:২২) বৃষ্টিবাহী বায়ু আমিই পাঠাই৷ তারপর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি এবং এ পানি দিয়ে তোমাদের পিপাসা মিটাই৷ এ সম্পদের ভাণ্ডার তোমাদের হাতে নেই৷
(১৫:২৩) জীবন ও মৃত্যু আমিই দান করি এবং আমিই হবো সবার উত্তরাধিকারী৷১৫
(১৫:২৪) তোমাদের পূর্বে যারা গত হয়েছে তাদেরকে আমি দেখে রেখেছি এবং পরবর্তী আগমনকারীরাও আমার দৃষ্টি সমক্ষে আছে৷
(১৫:২৫) অবশ্যি তোমার রব তাদের সবাইকে একত্র করবেন৷ তিনি জ্ঞানময় ও সবকিছু জানেন৷১৬
৮. আরবী ভাষায় দূর্গ , প্রাসাদ ও মজবুত ইমারতকে বুরুজ বলা হয় ৷ প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যায় সূর্যের পরিভ্রমণ পথকে যে বারটি স্তরে বা রাশিচক্রে বিভক্ত করা হয়েছিল 'বুরুজ' শব্দটিকে পারিভাষিক অর্থে সেই বারটি স্তরের জন্য ব্যবহার করা হতো ৷ এ কারণে কুরআন ঐ বুরুজগুলোর দিকে ইংগিত করেছে বলে কোন কোন মুফাসসির মনে করেছেন ৷ আবার কোন কোন মুফাসসির এটিকে গ্রহ অর্থে গ্রহণ করেছেন ৷ কিন্তু পরবর্তী বক্তব্য সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করলে মনে হবে , এর অর্থ সম্ভবত উর্ধ জগতের এমন সব অংশ যার মধ্যকার প্রত্যেকটি অংশকে অত্যন্ত শক্তিশালী সীমান্ত অন্যান্য অংশ থেকে আলাদা করে রেখেছে ৷ যদিও এ সীমান্তরেখা মহাশূন্যে অদৃশ্যভাবে অংকিত হয়ে আছে তবুও সেগুলো অতিক্রম করে কোন জিনিসের এক অংশ থেকে অন্য অংশে যাওয়া খুবই কঠিন ৷ এ অর্থের প্রেক্ষিতে আমি বুরুজ শব্দটিকে সংরক্ষিত অঞ্চলসমূহ ( ......................) অর্থে গ্রহণ করা অধিকতর নির্ভুল বলে মনে করি ৷
৯. অর্থাৎ প্রত্যেক অঞ্চলে কোন না কোন উজ্জ্বল গ্রহ বা তারকা রেখে দিয়েছেন এবং এভাবে সমগ্র জগত ঝলমলিয়ে উঠেছে ৷ অন্য কথায় , আমি দৃশ্যত কুলকিনারাহীন এ বিশ্ব জগতকে একটি বিশাল পরিত্যক্ত ভূতুড়ে বাড়ি বানিয়ে রেখে দেইনি ৷ বরং তাকে এমন একটি সুন্দর সুসজ্জিত জগত বানিয়ে রেখেছি যার মধ্যে সর্বত্র সব দিকে নয়নাভিরাম দীপ্তি ছাড়িয়ে রয়েছে ৷ এ শিল্পকর্মে শুধুমাত্র একজন মহান কারিগরের অতুলনীয় শিল্প নৈপুণ্য এবং একজন মহাবিজ্ঞানীর অনুপম বৈজ্ঞানিক কুশলতাই দৃষ্টিগোচর হয় না এই সংগে একজন অতীব পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন রুচির অধিকারী শিল্পীর শিল্পও সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে ৷ এ বিষয়বস্তুটিই অন্য এক স্থানে এভাবে বলা হয়েছে : ( আরবী ---------------) ( আল্লাহ , যে জিনিসই বানিয়েছেন , চমৎকার বানিয়েছেন ৷ ) আস - সাজদাহঃ ৭
১০. অর্থাৎ পৃথিবীর অন্যান্য সৃষ্টি যেমন পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে বন্দী হয়ে রয়েছে , ঠিক তেমনি জিন বংশোদ্ভূত শয়তানরাও এ অঞ্চলে বন্দী হয়ে রয়েছে ৷ উর্ধ জগতে পৌঁছুবার ক্ষমতা তাদের নেই ৷ ৷ এর মাধ্যমে মূলত লোকদের একটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করাই উদ্দেশ্য ৷ সাধারণ মানুষ এ বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিল এবং আজো আছে ৷ তারা মনে করে , শয়তান ও তার সাংগপাংগদের জন্য সারা বিশ্ব জাহানের দরজা খোলা আছে , যত দূর ইচ্ছা তারা যেতে পারে ৷ কুরআন এর জবাবে বলছে , শয়তানরা একটি বিশেষ সীমানা পর্যন্তই যেতে পারে , তার ওপরে আর যেতে পারে না ৷ তাদেরকে কখনোই সীমাহীন উড্ডয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়নি ৷
১১. অর্থাৎ যেসব শয়তান তাদের বন্ধু ও পৃষ্ঠপোশকদেরকে গায়েবের খবর এনে দেবার চেষ্টা করে থাকে , যাদের সাহায্যে অনেক জ্যোতিষী , গণক ও ফকির - বেশী বহুরূপী অদৃশ্য জ্ঞানের ভড়ং দেখিয়ে থাকে , গায়েবের খবর জানার কোন একটি উপায় - উপকরণও আসলে তাদের আয়ত্বে নেই ৷ তারা চুরি - চামারি করে কিছু শুনে নেবার চেষ্টা অবশ্যি করে থাকে ৷ কারণ তদের গঠনাকৃতি মানুষের তুলনায় ফেরেশতাদের কিছুটা কাছাকাছি কিন্তু আসলে তাদের কপালে শিকে ছেঁড়ে না ৷
১২. (আরবী --------) এর আভিধানিক অর্থ উজ্জ্বল আগুনের শিখা ৷ কুরআনের অন্য জায়গায় এজন্য ( আরবী ----------) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে ৷ এর অর্থ হচ্ছে , অন্ধকার বিদীর্ণকারী অগ্নি- স্ফুলিংগ ৷ এর মানে যে , আকাশ থেকে নিক্ষিপ্ত জ্বলন্ত নক্ষত্র হতে হবে , যাকে আমাদের পরিভাষায় " উলকা পিণ্ড " বলা হয় , তেমন কোন কথা নেই ৷ এটা হয়তো অন্য কোন ধরনের রশ্মি হতে পারে ৷ যেমন মহাজাগতিক রশ্মি (........) অথবা এর চেয়েও তীব্র ধরনের অন্য কিছু , যা এখনো আমাদের জ্ঞানের আওতার বাইরে রয়ে গেছে ৷ আবার এ উল্কা পিণ্ডও হতে পারে , যাকে আমরা মাঝে মধ্যে আকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে দেখি ৷ বর্তমানকালের পর্যবেক্ষণ থেকে জানা যায় , দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর দিকে যেসব উলকা ছুটে আসতে দেখা যায় তার সংখ্যা হবে প্রতিদিন এক লক্ষ কোটি ৷ এর মধ্যে থেকে প্রায় ২ কোটি প্রতিদিন পৃথিবীর মধ্যাকার্ষণ এলাকার মধ্যে প্রবেশ করে পৃথিবীর দিকে ধাবিত হয় ৷ তার মধ্য থেকে কোন রকমে একটা ভু-পৃষ্ঠে পৌঁছে ৷ মহাশূন্যে এদর গতি হয় কমবেশী প্রতি সেকেণ্ডে ২৬ মাইল এবং কখনো তা প্রতি সেকেণ্ডে ৫০ মাইলেও পৌঁছে যায় ৷ অনেক সময় খালি চোখেও অস্বাভাবিক উলকা বৃষ্টি দেখা যায় ৷ পুরাতন রেকর্ড থেকে জানা যায় , ১৮৩৩ খৃষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর উত্তর আমেরিকার পূর্ব এলাকায় শুধুমাত্র একটিস্থানে মধ্য রাত্র থেকে প্রভাত পর্যন্ত ২ লক্ষ উলকা পিণ্ড নিক্ষিপ্ত হতে দেখা গিয়েছিল ৷ ( ইনসাই - ক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ১৯৪৬, ১৫ খণ্ড , ৩৩৭ - ৩৯ পৃঃ) হয়তো এই উলকা বৃষ্টিই উর্ধ জগতের দিকে শয়তানদের উড্ডয়নের পথে বাধার সৃষ্টি করে ৷ কারণ পৃথিবীর উর্ধ সীমানা পার হয়ে মহাশূন্যে প্রতিদিন এক লক্ষ কোটি উলকাপাত তাদের জন্য মহাশূন্যের ঐ এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে অনতিক্রম্য বানিয়ে দিয়ে থাকবে ৷ এখানে উপরে যে সংরক্ষিত দূর্গগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলোর ধরন সম্পর্কে কিছুটা অনুমান করা যেতে পারে ৷ আপাত দৃষ্টিতে মহাশূন্য একেবারে পরিস্কার ৷ এর মধ্যে কোথাও কোন দেয়াল বা ছাদ দেখা যায় না ৷ কিন্তু আল্লাহ এ মাহশূন্যের বিভিন্ন অংশকে এমন কিছু অদৃশ্য দেয়াল দিয়ে ঘিরে রেখেছেন যা এ অংশের বিপদ ও ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অন্য অংশকে সংরক্ষিত করে রাখে ৷ এ দেয়ালগুলোর বদৌলতেই প্রতিদিন গড়ে যে এক লক্ষ কোটি উলকা পিণ্ড পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে তা সব পথেই জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং মাত্র একটি এসে পৃথিবী পৃষ্ঠে পড়তে সক্ষম হয় ৷ পৃথিবীতে উলকা পিণ্ডের যেসব নমুনা দুনিয়ার বিভিন্ন যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড়টির ওজন ৬৪৫ পাউণ্ড ৷ এ পাথরটি ওপর থেকে পড়ে মাটির মধ্যে ১১ ফুট গভীরে প্রেথিত হয়ে গিয়েছিল ৷ এ ছাড়াও এক জায়গায় ৩৬ ১/২ টনের একটি লোহার স্তূপ পাওয়া গেছে ৷ বৈজ্ঞানিকদের মতে আকাশ থেকে এ লোহা নিক্ষিপ্ত হয়েছে ৷ এ ছাড়া সেখানে এর স্তূপাকার অস্তিত্বের কোন কারণই তারা খুঁজে পাননি ৷ চিন্তা করুন পৃথিবীর উর্ধ সীমানাকে যদি মজবুত দেয়ালের মাধ্যমে সংরক্ষিত না করা হতো তাহলে এসব উলকাপাতে পৃথিবীর কী অবস্থা হতো ! এ দেয়ালগুলোকেই কুরআনে বুরুজ (সংরক্ষিত দূর্গ) বলা হয়েছে ৷
১৩. এর মাধ্যমে আল্লাহর কুদরত , শক্তিমত্তা ও জ্ঞানের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে ৷ উদ্ভিদের প্রতিটি প্রজাতির মধ্যে বংশবৃদ্ধির ক্ষমতা এত বেশী যে , তার যদি শুধু একটি মাত্র তারাকে দুনিয়ায় বংশ বৃদ্ধির সুযোগ দেয়া হয় তাহলে কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর চতুরদিকে শুধু তারই চারা দেখা যাবে , অন্যকোন উদ্ভিদের জন্য আর কোন জায়গা খালি থাকবে না ৷ কিন্তু একজন মহাজ্ঞানী ও অসীম শক্তিধরের সূচিন্তিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ এ বিশ্ব চরাচরে উৎপন্ন হচ্ছে ৷ প্রত্যেক প্রজাতির উৎপাদন একটি বিশেষ সীমায় পৌঁছে যাওয়ার পর থেমে যায় ৷ এ পক্রিয়ায় আর একটি দিক হচ্ছে , প্রত্যেক প্রজাতির উদ্ভিদের আয়তন , বিস্তৃতি , উচ্চতা ও বিকাশের একটি সীমা নির্ধারিত আছে ৷ কোন উদ্ভিদ এ সীমা অকিক্রম করতে পারে না ৷ পরিস্কার জানা যায় , প্রতিটি বৃক্ষ, চারা ও লতাপাতার জন্য কেউ শরীর , উচ্চতা , আকৃতি , পাতা, ফুল , ফল ও উৎপাদনের একটি মাপাজোকা পরিমাণ পুরোপুরি হিসেব ও গণনা করে নির্ধারিত করে দিয়েছে ৷
১৪. এখানে এ সর্তটি সম্পর্কে সজাগ করে দেয়া হয়েছে যে, সীমিত ও পরিকল্পিত প্রবৃদ্ধির এই ‌নিয়ম কেবল উদ্ভিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয় বরং যাবতীয় সৃষ্টির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ৷ বায়ূ , পানি , আলো , শীত, গ্রীষ্ম, জীব , জড় , উদ্ভিদ তথা প্রত্যেকটি জিনিস , প্রত্যেকটি প্রজাতি , প্রত্যেকটি শ্রেনী ও প্রত্যেকটি শক্তির জন্য একটি সীমা নির্ধারিত রয়েছে ৷ তার মধ্যে তারা অবস্থান করছে ৷ তাদের জন্য একটি পরিমাণও নির্ধারিত রয়েছে , তার চাইতে তারা কখনো বাড়েও না আবার কমেও না ৷ এই নির্ধারিত অবস্থা এবং পরিপূর্ণ প্রজ্ঞামূলক নির্ধারিত অবস্থার বদৌলতেই পৃথিবী থেকে আকাশ পর্যন্ত সমগ্র বিশ্বব্যবস্থায় এই ভারসাম্য , সমন্বয় ও পারিপাট্য দেখা যাচ্ছে ৷ এই বিশ্ব জাহানটি যদি একটি আকস্মিক ঘটনার ফসল হতো অথবা বহু খোদার কর্মকুশলতা ও কর্মতৎপরতার ফল হতো , তাহলে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের অসংখ্য বস্তু ও শক্তির মধ্যে এই পর্যায়ের পূর্ণ ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া ও অব্যাহতভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকা কেমন করে সম্ভব হতো ?
১৫. অর্থাৎ তোমাদের ধ্বংসের পরে একমাত্র আমিই টিকে থাকবো ৷ তোমরা যা কিছু্‌ পেয়েছো , ওগুলো নিছক সাময়িকভাবে ব্যবহার করার জন্য পেয়েছো ৷ শেষ পর্যন্ত আমার দেয়া সব জিনিস ত্যাগ করে তোমরা এখান থেকে বিদায় নেবে একেবারে খালি হাতে এবং এসব জিনিস যেমনটি ছিল ঠিক তেমনটি আমার ভাণ্ডারে থেকে যাবে ৷
১৬. অর্থাৎ তার অপার কর্মকুশলতা ও প্রজ্ঞার বলেই তিনি সবাইকে একত্র করবেন ৷ আবার তাঁর জ্ঞানের পরিধি এত ব্যাপক ও বিস্তৃত যে তার নাগালের বাইরে কেউ নেই ৷ বরং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কোন মানুষের মাটি হয়ে যাওয়া দেহের একটি কণাও তাঁর কাছ থেকে হারিয়ে যেতে পারে না ৷ তাই যে ব্যাক্তি পরকালিন জীবনকে দূরবর্তী বা অবাস্তব মনে করে সে মূলত আল্লাহর প্রজ্ঞা ও কুশলতা সম্পর্কেই বেখবর ৷ আর যে ব্যক্তি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে "মরার পরে যখন আমাদের মৃত্তিকার বিভিন্ন অণু - কণিকা বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে তখন আমাদের কিভাবে পূর্নবার জীবিত করা হবে ," সে আসলে আল্লাহর জ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞ ৷